হুজুর, আমার জানার বিষয় একজনের দাড়ি এখনো একমুষ্টি পরিমাণ হয়নি।কিছু কিছু দাড়ি অনেক বড় বড় হয়েছে। এখন ওই ব্যক্তি সৌন্দর্যের জন্য ওই বড়গুলো কেটে সবগুলো সমান করলে কি কোন সমস্যা হবে?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। মুহতারাম জানতে চাচ্ছি, আঙ্গুল ফুটালে যেরকম আওয়াজ হয় নামাজে রুকু থেকে উঠার সময় হাটুতে যদি এরকম আওয়াজ হয় তাহলে নামাজে কোনো সমস্যা হবে কিনা?
আস সালামু আলাইকুম,, জানার বিষয় হলো,, কোন বিয়ের মোহর যদি সর্বনিম্ন মহরের থেকে কম ধরা হয়,, এবং উভয় পরিবার রাজি থাকে তাহলে কি কোন সমস্যা হবে,,
আসসালামু আলাইকুম, রোজা অবস্থায় চোখে এবং নাকে ও কানে ড্রপ দেওয়া যাবে কিনা?
কাল তো শুক্রবার, রোজা রাখা যায়না। তো কাল ১০ই মহররম রোজা রাখা যাবে কিনা? আর দুইটা রাখলে কোন দিন কোন দিন রাখা যাবে?
প্রত্যেক নামাজে মৌখিকভাবে নিয়ত করা জরুরী?
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি শশুড় বাড়িতে যৌথ ফ্যামিলিতে থাকি। এক উঠোনে ৪ টা বাড়ি। আমার শশুড় তরিকা পন্থি আলেম কিন্তু পর্দার বিষয়ে শিথিল। শুরু থেকে যৌথ ফ্যামিলি হওয়ায় আমার শাশুড়ীকেও আমার চাচা শশুড়দের সাথে দেখা করতে হয়েছে এখনো হচ্ছে। কিন্তু আমি শুরু থেকেই বলে আসছি গাইরে মাহরাম কারো সাথে দেখা করবো না তারাও মেনে নিয়েছে। কিন্তু যৌথ ফ্যামিলি হওয়ায় আমার পর্দা করতে খুব সমস্যা হয়। গ্রামের বাড়ি, ঘর থেকে রান্নাঘর কিছুটা দূরে। যাওয়া আসার পথে প্রায়ই দেবরের সাথে দেখা হয়ে যায়৷ আমি ঢাকা দিয়ে থাকি তবুও খারাপ লাগে। চাচা শশুড়রা জমিতে চাষ করে তাই অধিকাংশ সময়ে বাড়িতে থাকে। তারা তাদের কাজে থাকে তখন আমার চলাফেরা করতে ভিষণ সমস্যা হয়। দিনে কয়েকবার তাদের সামনে পরা হয়। শাশুড়ী বলে হিজাব পরে কাজ করতে। এত গরমে সব সময় হিজাব পরে থাকা যায় না। তবুও চেষ্টা করি যেন সামনে না পরে কেউ কিন্তু এটা হয়ই না। আবার চাচা শশুড়দেরও বলা যাবে না যে আমার জন্য তারাও একটু সরে থাকুক। সবাইই আলেম কিন্তু পর্দার বিষয়ে একেবারেই শিথিল। তাদের কাছে কাজটাই বড়। কাজের জন্য সব করতে হবে। বর্তমানে বিষয়টা এমন হয়েছে যে আমি পর্দা করি এই জিনিসটাই হাস্যকর হয়ে গেছে। দিনে এত পরিমান তাদের সামনে পরা হয় যে আমার নিজেরই মনে হয়না আমি পর্দা করি। আমার হাসবেন্ড এসব মানতে পারে না কিন্তু কিছু বলতেও পারছে না। মাঝে মাঝে আলাদা হয়ে যেতে চায় কিন্তু আমি ভয় পাই। শশুড় শাশুড়ী কষ্ট পাবে। তারা ভাববে আমার কথায় হয়তো ছেলে আলাদা হয়েছে। আমার শশুড় শাশুড়ী জানে বুঝে যে আমার সমস্যা হয় কিন্তু তারা এটা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না। তারা চায় আমি খিমার পরে কাজ করি তাহলে আমার মুখ দেখা যাবে না। আচ্ছা, খিমার পরে চাচা দেবরের সামনে হেঁটে চলে কাজ করে যাবো এটাই পর্দা? আমি আমার খালু, ফুফা, কাজিন কারো সাথেই দেখা করিনা। এসবে অভ্যস্ত না। কেউ সামনে পরলে খুব খারাপ লাগে। চিৎকার করে কান্না করতে ইচ্ছে করে।শশুড় শাশুড়ীকে বুঝানো যাবে না তারা সব জানে বুঝে দেখছে। এছাড়া, এখন আমার করণীয় কি? কি করা উচিত? পর্দার জন্য আলাদা হয়ে যাওয়া কি ঠিক হবে?
বাঙালি অন্য দেশে গেলে কোন মাযহাব অনুযায়ী এবাদত বন্দেগী করবে??
ইমাম সাহেবের সাথে নামাজে শামিল হওয়া যায় কোন সময় পর্যন্ত? (উনি যদি একদিকে সালাম ফিরিয়ে দেয় প্রায়)
জানি ফরজ আদায় কারীর পিছনে নফল নিয়ত করা যায় তাহলে কেউ রমজানের কাজা রোজা শাওয়ালে রাখাব্যসতায় ছয় রোজার নিয়ত করতে পারবে কি? এবং করলে হবে?