গ্রামের মহিলারা স্বধারণত লাকড়ি, গাছের পাতা দিয়ে মাটির চুলায় রান্না করে। তো দেখা গেল একজনের বাড়ির সাথে অন্য জনের গাছ আছে, সেই গাছ থেকে যেই পাতা গুলো পড়ে সেগুলো কি গাছের মালিক ব্যতীত অন্য কেউ কুড়িয়ে নিয়ে রান্না করতে পারবে? যদি মালিকের অনুমতি না থাকে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র যে অব্যবস্থাপনা এবং দূর্নীতির মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, অর্থাৎ রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা এক জালিম শাসক থেকে অন্য জালিম শাসকদের কাছে হস্তান্তর হয়ে আসছে যুগের পর যুগ ধরে। প্রশ্ন : এমতাবস্থায় আমি কি মজলুমের পক্ষ হয়ে তথাকথিত এই গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইসলামপন্থী কোনো দল-সংগঠনকে সমর্থন বা সহযোগিতা করতে পারি শরীয়া আইন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত? যদি সংগঠনটি আমাকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয় যে, তারা সাধারণ জনগণের উপর জুলুম অত্যাচার করবে নাহ, দূর্নীতি-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী-সুদ-ঘুষ ইত্যাদি অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবে না। সর্বদা জনগণের হক আদায়ে সোচ্চার থাকবে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করবে না!
১) সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার যাকাত সর্বনিন্ম কত ক্যারেট হিসেবে ধরতে হবে। . পিউর ফাইন ৯৯.৯৯% রুপা ধরা হবে নাকি ১৮/২১/২২ ক্যারেট? আর স্বর্ণের নিসাবের সাড়ে ৭ তোলা ও একই সিস্টেম হবে?
আমরা জানি যে তারাবির নামায ২০ রাকাত পড়া সুন্নাহ।এখন কেউ যদি ৮ রাকাত তারাবির নামায আদায় করে তার কি গুনাহ হবে? দলিলের আলোকে জানতে চাই
কারো যদি পাঁচ সাত ভরি স্বর্ণ থাকে কিন্তু যাকাত দেওয়ার মতো ওই পরিমাণ টাকা থাকে না। কিছু থাকে তাহলে কি করতে হবে???
মহিলারা নামাজে চুলের খোপা বেঁধে নামাজ পড়লে মাকরূহ হবে? বা ছেড়ে পড়লে বেশি সওয়াব এমন কিছু
রোজা অবস্থায় থুথু ভেতরে গেলে কী রোজা হয়।
মুসাফির অবস্থায় নামাজ কাযা হয়েছে,বাসায় এসে কি কসর পড়বো?
হুজুর আমি বাসায় থেকে একটু দূরে কাজে আসছি, এখন সেখানে জোহরের নামাজের আজান দিছে, নামাজ পড়ার জন্য পবিত্র হইতে গিয়ে দেখি আমার হালকা মযি বের হইছে, এবং কাপড়ে লাগছে কিনা নির্দিষ্টি করে বলতে পারতেছিনা, তখন আমি আন্দাজে আইডিয়া করে লুংগির একটু ধৌত করি এবং শারীরিকভাবে পবিত্র হই অতপর ওযু করে জামাতের সহিত ফরজ নামাজ টা পড়ি, এখন আমার প্রশ্ন এই লুঙ্গী পড়ে নামাজটা যে পড়লাম সেটা হইছে??
আসসালামু আলাইকুম। মুপতি সাহেবের নিকট প্রশ্ন হলো ইমাম যখন দাড়ান তখন মেহরাব বরাবর উক্ত কালো দাগের মধ্যে দাঁড়ান, কিন্তু সিজদা এবং বৈঠকের সময় স্বাভাবিকভাবেই মেহরাবের একটু ভিতরে চলে যান, এতে করে কি ইমাম বা মুসল্লিদের নামাজে কোন সমস্যা হবে? (উল্লেখ্য ইমামের দাঁড়ানো কালো দাগটি মেহরাব বরাবর, মেহরাবের ভিতর নয়) জাযাকুমুল্লাহ।