বিটকয়েন বা অনলাইন ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচা করা এবং তা থেকে লভ্যাংশ নেওয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নাজায়েয।
মুফতি তাকী উসমানীসহ সমকালীন শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম এবং দেওবন্দ ও মিশরের ফাতওয়া বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব ও আইনি নিশ্চয়তা না থাকায় এটি ধোঁকা ও জুয়ার শামিল।
তাছাড়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি বিশেষভাবে নাজায়েয হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো—বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের পক্ষ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সির সকল লেনদেন অবৈধ ও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জনগণের আর্থিক নিরাপত্তা ও মুদ্রাপাচার রোধে রাষ্ট্রের বৈধ আদেশ মেনে চলা ওয়াজিব।
তবে ভবিষ্যতে যদি কোনো রাষ্ট্র বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর পূর্ণ দায়িত্ব নেয় এবং এটি কারেন্সির প্রকৃত মর্যাদা ও স্থায়িত্ব পায়, তখন হয়তো ডলার বা টাকার মতো এর লেনদেন বৈধ হতে পারে। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্রচলিত রূপে এটি নিষিদ্ধ। এছাড়া বিটকয়েনের মাধ্যমে ফরেক্স ট্রেডিং, বাকিতে কেনাবেচা কিংবা হ্যাকিং করার মতো কাজগুলো সব অবস্থাতেই হারাম।
قال الله تعالى: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ﴾
سورة النساء، الآية: ٥٩
قال رسول الله ﷺ: «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْغَرَرِ»
صحيح مسلم، كتاب البيوع، رقم الحديث: ١٥١٣
تَجِبُ طَاعَةُ الْإِمَامِ فِيمَا لَيْسَ بِمَعْصِيَةٍ
حاشية ابن عابدين = رد المحتار ط الحلبي ٢/١٧٢
يَجُوزُ التَّصَرُّفُ فِيهِ قَبْلَ الْقَبْضِ؛ لِأَنَّ مَعْنَى الْغَرَرِ لَا يَتَقَرَّرُ فِيهِ؛
بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع: ٥/١٨١