স্বপ্নদোষ বা বীর্যপাত হলে তাৎক্ষণিকভাবে গোসল করা ফরজ হয় না, বরং পরবর্তী নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে গোসল করে পবিত্র হওয়া ফরজ।
লবণাক্ত পানি দিয়ে গোসল করলে যদি অ্যালার্জির সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করে, চামড়া ফেটে যায়, ক্ষত তৈরি হয় কিংবা ডাক্তারের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকে, কেবল তখনই গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করার অনুমতি রয়েছে। তবে অ্যালার্জি যদি সাধারণ বা সামান্য মাত্রার হয় যা সহ্য করার মতো, তাহলে কষ্ট হলেও পানি দিয়েই গোসল করতে হবে, তায়াম্মুম করা জায়েজ হবে না।
আর যদি পুরো শরীর ধুলে ক্ষতি হয় কিন্তু শরীরের কিছু অংশ (যেমন মাথা বা বুক) ধুলে ক্ষতি না হয়, তবে সুস্থ অংশ ধুয়ে বাকি ক্ষত বা আক্রান্ত অংশে ভেজা হাত দিয়ে মাসেহ করতে হবে। আর যদি গোসল একেবারেই অসম্ভব হয়, তবে পবিত্র মাটি দিয়ে একবার তায়াম্মুম করলেই তা ওজু ও গোসল উভয়ের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে।